“জেন জি” শব্দটি বর্তমান সময়ে মানুষের মুখে উচ্চারিত একটি বহুল শব্দ। সাম্প্রতিক কয়েকটি পাবলিক পরিক্ষা অর্থাৎ SSC,HSC ও অনার্সের পরিক্ষায় শিক্ষার্থীদের “জেন জি” সম্পর্কে লিখতে বলা হয়েছে। আজকের লেখায় আমরা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব একটি পূর্ণাঙ্গ জেন জি অনুচ্ছেদ। তাহলে আর দেরি কেন?
জেন জি অনুচ্ছেদ
জেন জি (Gen Z) বলতে বোঝায় ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে। এরা জন্মের পর থেকেই ডিজিটাল দুনিয়ার সঙ্গে জড়িত। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এসব তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশে ২০২৪ সালে “জেন জি” শব্দটি অসম্ভব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই প্রজন্মের সদস্যরা প্রযুক্তি ব্যবহারে অসাধারণ দক্ষ। তারা মুহূর্তে তথ্য খুঁজে নেয়, বিশ্লেষণ করে ও একাধিক প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করে। ফলে দেশের উন্নয়ন, ব্যবসা, শিক্ষা ও সকল ক্ষেত্রেই তাদের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে।
তবে এই সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও কম নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে। উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, সামাজিক চাপ- এসব সমস্যা এখন জেন জি’র নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে।
শিক্ষা ও ক্যারিয়ারে জেন জি একেবারে আলাদা। তারা সৃজনশীল, উদ্ভাবনী ও নিজের পছন্দমতো পথ বেছে নিতে চায়। চাকরির চেয়ে ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ, কনটেন্ট ক্রিয়েশন এসব দিকে তাদের আগ্রহ বেশি দেখা যায়। কাজের জায়গায় স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য ও মানসিক সুস্থতা তাদের কাছে অর্থের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক দায়বদ্ধতায়ও জেন জি এগিয়ে। জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ সমতা, মানবাধিকার এসকল ইস্যুতে তারা সর্বোচ্চ সোচ্চার। রাস্তায় প্রতিবাদ, অনলাইনে ক্যাম্পেইন, স্বেচ্ছাসেবী কাজ সবখানেই তাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। নিজের মত প্রকাশে তারা কখনো পিছপা হয় না।
সংক্ষেপে বলা যায়, জেন জি হলো প্রযুক্তি-নির্ভর, সৃজনশীল ও সমাজের প্রতি সচেতন এক প্রজন্ম। তারা ভবিষ্যতের পথিকৃৎ। বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আসুন, আমরা তাদের শক্তিকে সঠিক দিকে কাজে লাগাই।
বিশেষ দ্রটব্য: পরিক্ষার সময় অবশ্যই এই লেখাটির সাথে নিজের সৃজনশীলতা বয়বহার করবেন তাহলে পরিক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবেন ।
